শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

"এখন আমার" ___ আবুল হাসান




আমার এখন নিজের কাছে নিজের ছায়া খারাপ লাগে
রাত্রিবেলা ট্রেনের বাঁশি শুনতে আমার খারাপ লাগে
জামার বোতাম আটকাতে কি লাগে, কষ্ট লাগে
তুমি আমার জামার বোতাম অমন কেনো যত্ন করে
লাগিয়ে দিতে?
অমন কেন শরীর থেকে অস্তে আমার
ক্লান্তিগুলি উঠিয়ে নিতে?
তোমার বুকের নিশীথ কুসুম আমার মুখে ছড়িয়ে দিতে?
জুতোর ফিতে প্রজাপতির মতোন তুমি উড়িয়ে দিতে?
বেলজিয়ামের আয়নাখানি কেন তুমি ঘরে না রেখে
অমন কারুকাজের সাথে তোমার দুটি চোখের মধ্যে
রেখে দিতে?


আমার এখন চাঁদ দেখলে খারাপ লাগে
পাখির জুলুম, মেঘের জুলুম, খারাপ লাগে
কথাবর্তায় দয়ালু আর পোশাকে বেশ ভদ্র মানুষ
খারাপ লাগে,
এই যে মানুষ মুখে একটা মনে একটা. . .
খারাপ লাগে
খারাপ লাগে
মোটের উপর, আমি অনেক কষ্টে আছি.. কষ্টে আছি বুঝলে যুথী
আমার দাঁতে, আমার নাকে, আমার চোখে কষ্ট ভীষণ
চতুর্দিকে দাবি আদায় করার মত মিছিল তাদের কষ্ট ভীষণ বুঝলে যুথী
হাসিখুশি উড়নচন্ডি মানুষ এখন তাইতো এখন খারাপ লাগে, খারাপ লাগে
আর তাছাড়া, আমি কি আর যিশু নাকি- হাবিজাবি ওদের মতন সবসহিষ্ণু
আমি অনেক কষ্টে আছি
কষ্টে আছি, কষ্টে আছি |

শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

অশিরোনাম পংক্তিগুলো-১

অবশিষ্ট সবুজ কাকাতুয়াটা পুড়ে গেছে বসন্তের বাতাসে।
গভীর রাতে পাশাপাশি বসে থাকার সময় শেষ হয়েছে।
অস্থির সময়ের রঙ, রূপ নিয়েছে জলের তলানিতে।

সুখের গান শোনবার অধিকার নেই সেখানে।
কান্নাগুলো  কেবল ছিলো মুঠোফোন সংকেত।
সেগুলোও, মুহুর্তের অসাবধানতায়, হারিয়ে যায় মহাকালে...

মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

নিজস্ব কৈফিয়ত

ঘোষিত কর্মসূচীর সাথে কোনো বিরোধ নেই। আমি আগের কর্মসূচীগুলোর মতো এটাও পালন করবো...

কিন্তু এরকম কর্মসূচী দিয়ে শাহবাগে জমা হওয়া হাজার হাজার মানুষের আবেগকে খেলো করে দেয়া হচ্ছে বলে মনে হয় না? যেখানে মানুষ গুলো দিনের পর দিন বসে আছে সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মপন্থা জানতে সেখানে এই কাজগুলো করে ইউনিটি কতদিন ধরে রাখা সম্ভব? নিয়মিত এরকম কর্মসূচীর ফলে একসময় কি এই আন্দোলনের ফসল এরকম হবে, যে আমরা মৌন মিছিল করে শাহবাগ মোড় থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত যাবো। ফিরে এসে জাদুঘরের সামনে বসে কিছুক্ষণ গণসঙ্গীত গাইবো, তারপর যার যার বাসায়...

আমি নিজে অতটা প্রতিভাবান নই যে নতুন আইডিয়া দেবো। আমি পেছনের সারির মানুষ, সামনের সারি থেকে যেই স্লোগান দেয়া হবে সেইটাতেই গলা মেলাবো। আবার সেই স্লোগান যদি পছন্দ না হয়, আমার পাশের জনকে সেটা জানাবো, যাতে সেই অপছন্দের ইনফোটা একজন একজন করে ক্রমান্বয়ে সামনের সারিতে পৌছায়...
এইটুকুই পারি... সামনের সারিতে পৌছুবার পরেও যদি স্লোগান পরিবর্তন না হয়, তখন মিছিল শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবো, আর নেক্সট বারে মিছিলে যোগ দেবো না...

সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

উদ্বাস্তু আনন্দ...

আমার আনন্দরা মূলত উদ্বাস্তু।

কখনও পাশে এসে বসলে
কেন জানি ভেবে নিতে ইচ্ছে হয়,
একটা ছোট্ট ঠিকানা হয়েছে তার
চার দেয়ালে ঘেরা। নীলচে শেডের আলোতে
ঝলমলে মুখ দেখে উচ্ছল হয়ে ওঠে চোখ,
ঝুনুঝুনু নুপুর বেজে ওঠে বাতাসে, তরঙ্গে,
দেয়ালগুলো সেজে ওঠে উৎসবের রঙে।

ঝলমল...

ঝুনুঝুনু...

রঙীন...

বিশ্রাম শেষে, চকিত পাখির ডানায়
আনন্দরা যখন উড়ে যায়,
মনে পড়ে যায় সেই সত্যটা...

আমার আনন্দরা মূলত উদ্বাস্তু...

রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

আত্মমগ্ন কথামালা- অথঃ শাহবাগ আন্দোলন সমাচার

শাহবাগ আন্দোলনের আজ ১৩ তম দিন চলছে। প্রথম দিন আমি অত্যন্ত হতাশ ছিলাম। সেই হতাশা কেটে যেতেও সময় লাগেনি। ৫ তারিখেই লিখেছিলাম আমরা বন্ধু ব্লগে প্রতিবাদে উত্তাল শাহবাগ। গণজাগরণে স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহন দেখে, আমার আজীবনের পেসিমিস্ট অনুভূতি দূরে পালিয়ে গিয়েছিলো। প্রতিদিন অংশ নিয়েছি শাহবাগের গণজোয়ারে। কোনোদিন অফিস ফাঁকি দিয়ে, কোনোদিন অফিসের কাজের ফাঁকে ফাঁকে, কোনোদিন অফিস শেষে।

একসপ্তাহ শেষেও একটা লেখা লিখেছিলাম,গত মঙ্গলবার থেকে আজ... যেখানে আমার আশার কথা গুলোই লেখা ছিলো। তারপরে আর লিখিনি। কারণ কিছু লেখবার থেকে আমার মনে হয়েছিলো ওখানে গিয়ে জনতার একজন হিসাবে থাকাই বেশী জরুরী। কিন্তু গতদিন আবার লিখতে হলো। গত শুক্রবারে মহাসমাবেশ হয়েছিলো শাহবাগে, আমি সেদিন উপস্থিত থাকতে পারিনি। কিন্তু অনলাইনে যখন জানতে পারি আন্দোলনের সময়সুচী নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা, একেবারে প্রথম দিন কাদের মোল্লার ফাঁসির বদলে যাযজ্জীবন হওয়ায় যতটা হতাশ ছিলাম তার থেকেও বেশী হতাশা ঘিরে ধরেছিলো মনটাকে। একটা সফল আন্দোলনের বদলে পোকায় খাওয়া ফলের মতো একটা ছবি ভেসে উঠেছিলো চোখের সামনে। যদিও বিভাজন, বিক্রয়, হুমকী ইত্যাদি জিনিস সম্পর্কে জানতাম বুধ বৃহঃ বার থেকেই, তবুও ভেবেছিলাম একটা প্রশ্নে হয়তো কোনো না কোনো পক্ষ স্যাক্রিফাইস করবে। কিন্তু... 

হতাশ মন নিয়ে ফেসবুকিং করতে করতে হঠাৎ একটা স্ট্যাটাস দেখে মাথা খারাপ হয়ে গেলো। আমাদের বন্ধু, থাবা বাবা নামে ব্লগিং করতো ছেলেটা, তাকে জবাই করে ফেলে যাওয়া হয়েছে তারই বাসার কাছে। প্রথমেই ভাবলাম, এই স্ট্যাটাসটা হয়তো টাইম ফ্রেইমড আন্দোলনকে স্যাটায়ার করে লেখা হয়েছে। এদিক সেদিক ফোন দিয়ে জানলাম ঘটনাটা সত্যি। আতংকিত হয়ে পড়লাম।

এর কয়েকটা কারণ রয়েছে-

১# থাবা ছেলেটা নাস্তিক ছিলো
২# শাহবাগ আন্দোলনের ফ্রন্টলাইনের কেউ ছিলো না
৩# আমাদের বন্ধু ছিলো
৪# জামাত শিবিরের রাজনীতি নিয়ে উচ্চকিত ছিলো
৫# শাহবাগে থাকা কালীন সময়ে একটু পর পর অনলাইনে আপডেট দিতো

এরকম একজন কে যদি তার বাসার কাছেই কুপিয়ে মেরে ফেলে রাখা হয়, তাহলে নিজের জীবনাশংকায় আতংকিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। তার উপর গত দু'বছর আগে থেকেই সামু ব্লগের একটা পোস্টে আমাদের কিছু ছবি প্রকাশ করার পর সেগুলো শিবিরের একটা পেজেও শেয়ার করা হয়েছিলো। তখন কিছু ভাবি নাই, কিন্তু এখন আতংকিত হয়ে পড়েছি...

আগের লেখা গুলোতে সামষ্টিক অনুভূতি ধারণ করবার চেষ্টাটাই বেশী করেছিলাম। কারন কমিউনিটি ব্লগে ব্যক্তিগত অনুভূতি তাও আবার এরকম একটা গণজাগরণ নিয়ে... একটু স্বার্থপরের মতই মনে হয়েছিলো। কিন্তু দিনের পর দিন ধরে একেবারে ব্যক্তিগত কিছু অনুভূতিও জমা হয়েছে। সেগুলো লিখে ফেলাটা জরুরী।

ব্যাক্তিগত অনুভূতিমালাঃ-????

১# সে আবার তার এক্সের সাথে ঘুরাফেরা শুরু করলো। সেইটা আমারে যেদিন জানালো, সেদিন পুরো মেজাজ মাথা গরম হয়ে গেলো। সেইদিন থেকে মেজাজ চরম গরম হয়ে আছে। অফ এনি আদার পার্সনস, হিম এগেইন? সেইদিন আসছিলোও, কিন্তু আমার মেজাজের হালত দেইখা সে আমার সাথে পরিচয় করায়ে দেয় নাই। আমিও আসলে এর সাথে মিট করতে চাইতেছিলাম না। না সেইদিন, না কোনোদিনই।

২# পরেরদিন ছবির হাটে গেলাম অফিস ফাঁকি দিয়ে। গিয়ে বসলাম। আমারে পরিচয় করায়ে দিলো, এইযে অমুক। ঠাস কইরা মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে গেলো। যাস্ট কান্ট স্ট্যান্ড ইট। যদিও সেদিন আমার সাথেই ঘুরাফেরা করছে বাকিটা সময়।

৩# গতকাল, এমনিতেই থাবা'র মৃত্যু নিয়া মাথা খারাপ অবস্থা। তার উপরে গিয়া দেখি, দুইজনে পুনঃপ্রেমভাব নিয়ে ঘুরে বেড়াইতেছে। এবং আমার আশেপাশে আসার থেকে তার সাথে গায়ে গা ঠেকাইয়া বইসা থাকাটাই এর জরুরী লাগছে। কষ্ট পাইতেছি। অনেক বেশী কষ্ট...

৪# সেদিন রাতের বেলা চারুকলায় বসে কয়েকজনের সাথে পান করলাম। আমার হাত বেশ মাতাল হয়েই গেসিলো। কিন্তু, পরবর্তীতে সাথের জনের প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব এর জন্য আরো কিছু হওয়া থেকে বেঁচে গেলাম...

রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

আত্মমগ্ন কথামালা ২3

well...
there was those times, when I used to be depressed and try to spread my feeling towards others. but, now a days, I can hide my depressions inside my self and pretend nothing happened. still... some of the emotions leak through my subconscious, and few could feel them...
kinda having a crush knowing that it won't go further on the road. you know, you can't always be logical with your feelings. but to hide them with a cloak and try not to look at it.

শনিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

ঘুরে এলুম বইমেলা ২০১৩

সবার আগে বইলা রাখি, আমি আসলে ঐরকম কোনো পড়ুয়া না। আমার বইমেলায় যাবার প্রধান কারণ হইতেসে মানুষজন দেখা। মানুষজনের আনন্দ, কষ্ট, বিষণ্ণতা, উচ্ছাস এগুলা বুঝার চেষ্টা করা। আর কিছু লেখকের সান্নিধ্য পাওয়া। এইজন্যেই আমার লেখায় বইপত্রে খোঁজ খবরের থিকা মানুষজনের কথা বেশী বেশী থাকবো...

সারাদিন ভাবসি যে আইজকাও বইমেলায় যামুনা, কিন্তু হঠাত ৪টার দিকে মনে হইলো- কি আছে জীবনে, যাইগা এইবারের বইমেলায় পয়লা চক্কর দিয়াই আসি। দিলাম দৌড়। গতবছরেও মেলার দ্বিতীয় দিন যেই লাইন আর ভীড় দেখসিলাম, সেইটা এইবার আর দেখলামনা। আর ফুটপাথের সাইডে যেই দোকান গুলা থাকে সেগুলাও পাইলাম না। কেরম জানি ন্যাড়া ন্যাড়া লাগতেছিলো। যাই হোক, ঢুইকা পড়লাম মেলার ভিতর। ঢুইকাই দৌড়, গত তিনবছর ধইরা বইমেলায় আমাদের যেইটা স্থায়ী ঠিকানা, মানে লিটলম্যাগ চত্ত্বরে। গিয়া দেখি ফাঁকা ফাঁকা। পরিচিত লোকজন তো নাইই, অপরিচিত লোকজনও কম।

এইবার রওনা দিলাম মেলা ঘুইরা দেখনের উদ্দেশ্যে। দিলাম দুইটা চক্কর। এরপরেও কেউরে দেখিনা। তো ভাগ্নীর জন্যে কিছু বই কিনে নিয়ে বেরয়ে পরলাম। মেলা থিকা বেরইয়া একটু আগাইতেই এক আপুর আর তার কন্যের লগে দেখা। বেশ কয়েকমাস পর দেখা হইলো, কুশল বিনিময় করতে করতে উনাদের সাথে আবার ঢুকলাম মেলায়। উনাগো লগে ঘুরতেসি, দেখা হইলো মাসুম ভাইয়ের সাথে। উনার হাতে কয়েকটা বই দেখলাম। হাই হ্যালো কইরা আবার আপুগো সঙ্গী হইলাম। শুধু এইটুকু জানা হইলো মাসুম ভাইয়ের বই আগামী সপ্তা নাগাদ আসতেসে। একটু আগাইতে আগাইতে দেখা হইলো ফটোগ্রাফার মইন আর মুক্তার ভাইয়ের সাথে। উনাগো রাইখা আগায়ে গেলাম। তো, আপুগো বই কেনাকাটা শেষ হইলে তাগোরে আগায়া দিতে গেলাম টিএসসি, এর ভিতরে লীনাপুর ফোন, উনি চইলা আসছেন। আবার ফিরে আসলাম মেলায়।

আবার স্থায়ী ঠিকানায় প্রত্যাবর্তন, লীনাপুরে ফোন দিলাম উনি কইলেন স্থায়ী ঠিকানায় আসতেসেন। উনি যখন আসলেন তখন তার সাথে দেখি পারভীন আপাও আছেন। উনাদের সাথে কথা কইতে কইতে লীনাপুর ফোনে শান্তর টেক্সট বা ফোন কিছু একটা। শান্ত নাকি স্থায়ী ঠিকানাতেই আছে। একটু চোখ ঘুরাতেই পাইয়া গেলাম শান্তরেও। বেশ চেনাজানা মানুষদের দেইখা সব ক্লান্তি ফ্লান্তি দৌড়ায়া পালাইলো। এরপর গেলাম শুদ্ধস্বরের সামনে, ঐখানে গিয়া লীনাপু আমাদেরকে বই কিনে দিলেন। লীনাপুর বড় ভাই মোস্তাক শরীফ ভাইয়ার অনুদিত সিলভিয়া প্লাথের উপন্যাস দ্য বেল জার আর রিভিউ গ্রন্থ বিষয় গল্পগুচ্ছ। গুলতানি চলছে, এর ভিতরে চলে আসলেন কামাল ভাই। উনার বই এখনো আসে নাই, এইটাও আগামী সপ্তাহের ভিতর চলে আসবে। জানলাম গত বছর ( একেবারে ঠিকঠাক ভাবে বলতে গেলে ৩৬৫-২৯ দিন) মেলার সময় থেকেই কামাল ভাই আমার উপর কিছুটা ক্ষুব্ধ। কারণটা নাহয় না ই বললাম। এরপর কামাল ভাই শুদ্ধস্বরে খোঁজ নিতে পাঠালেন লীনাপুকে, আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু'র লেখা একমাত্র বাংলা ভাষার বই অব্যক্ত আসছে কি না জানতে। এর ভিতরে আমরা জেনে গেলাম এই বইটার মুখবন্ধ লিখছেন কামাল ভাই। না বাংলা ১৩২৮ সনে নয়, ইংরেজী ২০১২ সালে। আমরা যে কয়জন ছিলাম, তাদের সাথে আরো কয়েকজন যোগ হয়ে গেছেন ইতিমধ্যে (বানান ঠিক হইলো কি না জানিনা) তো এই বইটাও লীনাপু অনেকেরে কিনে দিলেন। এবং মুখবন্ধের লেখকের কাছ থিকা অটোগ্রাফ নেবার লাইনে দাড়ায়ে পড়লাম সবাই। এর ভিতর রণদা'রাও এসে পড়েছিলেন। অটোগ্রাফ নেবার পর রণদা'র সাথে স্থায়ী ঠিকানায় গেলাম বিড়ি খাইতে। সেইখানে গিয়া দেখা কৌশিকদা, নাহল, সবাক, মুজিব মেহেদী এদের সাথে। বিড়ি বুড়ি খায়া শুদ্ধস্বরের সামনে ফিরে আইসা দেখি কেউই আর নাই।

ফিরত রওনা দিলাম বাসার দিকে, আর আমার ২০১৩ বইমেলার পয়লা দিনের ঘুরান্তিস শেষ হইয়া গেলো...