এখন দুপুর...
চৈত্রের দুপুর...
গনগনে রোদ তার প্রবল ক্রোধ নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছে শহরের রাস্তাগুলোতে...
চারদিক প্রায় নিশ্চুপ...
ঘরের ভেতর,
ফ্যান ঘুরবার একঘেয়ে শব্দটা মাদকতা তৈরী করে যাচ্ছে...
অস্তগামী চাঁদের সাদা জোছনা ছড়িয়ে পড়ে সবুজ চাদরে/ আলো অন্ধকার আটকা পড়ে মীনচোখ বৃত্তে/ মাৎসন্যায় ঘটে যায় রক্তমাখা তীর সঞ্চালনে/ সবাই বন্দী রয় বৃত্তে...
রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০১৩
সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০১৩
আত্মমগ্ন কথামালা- ২৬
আমার এই আত্মমগ্ন কথামালা গুলারে কি দিনলিপি কমু, নাকি হঠাৎ কইরা জাইগা উঠা মনের অবস্থা গুলা শেয়ারের সিস্টেম কমু জানিনা। তয়, এইটারে আমি মনের কথা বলার যায়গা হিসাবে ভাবতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।
আগামী কাল আমার জন্মবার্ষিকী। বুড়া হইয়া যাইতেসি, কিংবা আরো ম্যচিউরড হইতেসি। বয়স তো অনেক হইলো, কিন্তু অস্থিরতা কমলো না। একা একা বইসা ব্লগ লেখি। একাকীত্ব আগে উপভোগ করতাম, ইদানীং বিরক্ত হইয়া যাইতেসি।
আজকে, খুব খুব কইরা মদ খাইতে ইচ্ছা করতেসিলো। হাটের কেউই আজকে রাজি হইলোনা। কি আর করা, একা একাই চইলা গেলাম পিককে। কালকে যেহেতু জন্মদিন আর একটু বিষণ্ণ সেলিব্রেশন মুডে আছিলাম, তাই ইউজ্যুয়াল ভদকা না নিয়া হুইস্কি নিলাম। মাত্র তিনটাতেই লিমিটেড থাকলাম। আরেকটা খাইতে ইচ্ছা করতেছিলো খুব, কিন্তু নেই নাই। নিজের উপরে কন্ট্রোল আছে দেইখা ভালোই লাগলো। তবে একটা জিনিস বুঝলাম, আমারে যেটুকু ধরে সেটুকুর জন্যে আসলে ভদকাই দরকার।
ফেরার পথে ঝুমার সাথে খুব কথা বলতে ইচ্ছা করছিলো। কলও দিলাম দু'বার। রিসিভ করে নাই। সো... আমিতো নিজেরে চিনি।
এইমাত্র মাতৃদেবীর কাছ থেকে একটা শার্ট পেলাম। জন্মদিনের গিফট।
যাই হোক, বিষণ্ণ দিনলিপি বন্ধ করি আজকের মতো।
আগামী কাল আমার জন্মবার্ষিকী। বুড়া হইয়া যাইতেসি, কিংবা আরো ম্যচিউরড হইতেসি। বয়স তো অনেক হইলো, কিন্তু অস্থিরতা কমলো না। একা একা বইসা ব্লগ লেখি। একাকীত্ব আগে উপভোগ করতাম, ইদানীং বিরক্ত হইয়া যাইতেসি।
আজকে, খুব খুব কইরা মদ খাইতে ইচ্ছা করতেসিলো। হাটের কেউই আজকে রাজি হইলোনা। কি আর করা, একা একাই চইলা গেলাম পিককে। কালকে যেহেতু জন্মদিন আর একটু বিষণ্ণ সেলিব্রেশন মুডে আছিলাম, তাই ইউজ্যুয়াল ভদকা না নিয়া হুইস্কি নিলাম। মাত্র তিনটাতেই লিমিটেড থাকলাম। আরেকটা খাইতে ইচ্ছা করতেছিলো খুব, কিন্তু নেই নাই। নিজের উপরে কন্ট্রোল আছে দেইখা ভালোই লাগলো। তবে একটা জিনিস বুঝলাম, আমারে যেটুকু ধরে সেটুকুর জন্যে আসলে ভদকাই দরকার।
ফেরার পথে ঝুমার সাথে খুব কথা বলতে ইচ্ছা করছিলো। কলও দিলাম দু'বার। রিসিভ করে নাই। সো... আমিতো নিজেরে চিনি।
এইমাত্র মাতৃদেবীর কাছ থেকে একটা শার্ট পেলাম। জন্মদিনের গিফট।
যাই হোক, বিষণ্ণ দিনলিপি বন্ধ করি আজকের মতো।
বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০১৩
জানালায় ছায়া ফেলা জাগলার
নিখুঁত বলগুলো নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন জাগলার।
বেখেয়ালে,
পোশাকের হাতা গলে ঝরে পড়েছে রংধনু
ছিট কাপড়ের রুমালে উড়েছে পায়রা কিংবা শালিকের দল
হয়তো একটা দু'টো খরগোশ ঘুরেছে থ্যাবড়ানো জুতোর আশেপাশে।
ধীরে ধীরে,
রোদ বেড়ে এলে
হাতের নিপুণ কারসাজিতে চোখে উঠেছে পুরোনো রোদ চশমা
গাল বেয়ে ঝরেছে কস্তুরী ঘামের ফোঁটা
তবুও থামেনি জাগলারি।
দাঁড়িয়ে ছিলেন বিস্তৃত মাঠের মধ্যিখানে,
আশেপাশে ছিলোনা দর্শকের গুঞ্জন কিংবা হাততালি।
শুধু দুপুরের হাওয়া,
তাকে উড়িয়ে নিয়েছিলো প্রিয়তম জানালাতে
কস্তুরী ঘ্রাণ এঁকে দিয়েছিলো অবিশ্বাস্য ছবি
দেয়ালে, আর শশব্যস্ত পথিকের চোখের পাতায়...
বেখেয়ালে,
পোশাকের হাতা গলে ঝরে পড়েছে রংধনু
ছিট কাপড়ের রুমালে উড়েছে পায়রা কিংবা শালিকের দল
হয়তো একটা দু'টো খরগোশ ঘুরেছে থ্যাবড়ানো জুতোর আশেপাশে।
ধীরে ধীরে,
রোদ বেড়ে এলে
হাতের নিপুণ কারসাজিতে চোখে উঠেছে পুরোনো রোদ চশমা
গাল বেয়ে ঝরেছে কস্তুরী ঘামের ফোঁটা
তবুও থামেনি জাগলারি।
দাঁড়িয়ে ছিলেন বিস্তৃত মাঠের মধ্যিখানে,
আশেপাশে ছিলোনা দর্শকের গুঞ্জন কিংবা হাততালি।
শুধু দুপুরের হাওয়া,
তাকে উড়িয়ে নিয়েছিলো প্রিয়তম জানালাতে
কস্তুরী ঘ্রাণ এঁকে দিয়েছিলো অবিশ্বাস্য ছবি
দেয়ালে, আর শশব্যস্ত পথিকের চোখের পাতায়...
বুধবার, ৬ মার্চ, ২০১৩
...
আমার ছিলো ইচ্ছে ঘুমের দেশ
আনন্দেরি ঝলমলে লাল ডানা
তোমার ছিলো ঘুমের সাথে আড়ি
অশ্রু জমাট দিঘীর জলে নামা
আনন্দ আর ঘুমের বিনিময়ে
তোমার সাথে আমার জানাশোনা
প্রহরগুলো কাটছিলো সব ভালোই
সুর্য এবং চাঁদের যুগল আলোয়
এরই মাঝে কালো মেঘের ভেলা
সেই পুরোনো অশ্রু ছোঁয়া খেলা
হারিয়ে যাওয়ার একটু খানিক আগে
সীমারেখা আঁকলে কালো দাগে
তাকিয়ে আছি তোমার পথের পানে
হঠাৎ যদি ফেরো আমার টানে
অলস সময় সিগারেটের ধোঁয়ায়
মদির হয়ে খুঁজতে থাকে তোমায়
আসবেনা আর সত্য করেই জানি
কিন্তু সেটা কেমন করে মানি
অপেক্ষা আর প্রতীক্ষাতে রাত
তোমার হাতে অন্য কারোর হাত
আনন্দেরি ঝলমলে লাল ডানা
তোমার ছিলো ঘুমের সাথে আড়ি
অশ্রু জমাট দিঘীর জলে নামা
আনন্দ আর ঘুমের বিনিময়ে
তোমার সাথে আমার জানাশোনা
প্রহরগুলো কাটছিলো সব ভালোই
সুর্য এবং চাঁদের যুগল আলোয়
এরই মাঝে কালো মেঘের ভেলা
সেই পুরোনো অশ্রু ছোঁয়া খেলা
হারিয়ে যাওয়ার একটু খানিক আগে
সীমারেখা আঁকলে কালো দাগে
তাকিয়ে আছি তোমার পথের পানে
হঠাৎ যদি ফেরো আমার টানে
অলস সময় সিগারেটের ধোঁয়ায়
মদির হয়ে খুঁজতে থাকে তোমায়
আসবেনা আর সত্য করেই জানি
কিন্তু সেটা কেমন করে মানি
অপেক্ষা আর প্রতীক্ষাতে রাত
তোমার হাতে অন্য কারোর হাত
লেখাটার বিভাগ:
কবিতা,
চিঠি,
দিনলিপি,
সাহিত্যচর্চা
রবিবার, ৩ মার্চ, ২০১৩
আত্মমগ্ন কথামালা-২৫
শালার মন এত বিটক্যাল কেন?
বাল বাল বাল বাল বাল বাল বাল...
কিছুদিন আগেও যেই মুঠোফোনে সারাদিনে শ শ টেক্সট আসতো, সেই মুঠোফোন এখন নিস্তব্ধ থাকে দিনের বেশীর ভাগ সময়। ইভেন, স্বপ্রণোদিত হয়ে টেক্সট দিলেও টেক্সটের উত্তর আসে না। অস্থির লাগে, অস্থির...
নয়া ক্লায়েন্টেরে বাধামু নাকি বুঝতে পারতেসি না। প্রেম ভালোবাসা না, এখন একেবারে সোজা কয়টাসে যাইতে ইচ্ছা করতেসে...
কয়টাস... কয়টাস... কয়টাস...
নয়া ক্লায়েন্টেরে একটু ঘষামাজা করলেই কয়টাসে যাইতে পারমু বুঝতেসি। কি করবো জানি না। জানি না বস...
বাল বাল বাল বাল বাল বাল বাল...
কিছুদিন আগেও যেই মুঠোফোনে সারাদিনে শ শ টেক্সট আসতো, সেই মুঠোফোন এখন নিস্তব্ধ থাকে দিনের বেশীর ভাগ সময়। ইভেন, স্বপ্রণোদিত হয়ে টেক্সট দিলেও টেক্সটের উত্তর আসে না। অস্থির লাগে, অস্থির...
নয়া ক্লায়েন্টেরে বাধামু নাকি বুঝতে পারতেসি না। প্রেম ভালোবাসা না, এখন একেবারে সোজা কয়টাসে যাইতে ইচ্ছা করতেসে...
কয়টাস... কয়টাস... কয়টাস...
নয়া ক্লায়েন্টেরে একটু ঘষামাজা করলেই কয়টাসে যাইতে পারমু বুঝতেসি। কি করবো জানি না। জানি না বস...
শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০১৩
আত্মমগ্ন কথামালা-২৪
আবার অস্থির। এই অস্থিরতা আর ভালো লাগতেছেনা। ২০১৩ এর শুরুতে ভাবছিলাম, কেউ যদি জিজ্ঞাস করে কেমন আছি? তখন আমার উত্তর হইবো জোস আছি। প্রথম প্রথম বেশ কিছুদিন এই প্রাক্টিস ভালো ভাবেই জারি রাখতে পারসিলাম। কিন্তু এখন কি হইলো? বাল... পারতেসি না কোনোমতেই নিজের সাথে মিথ্যা কইতে, কিংবা সহানুভূতি এক্সপেক্ট করতেসি হয়তো। তাই একেবারে মনের অবস্থা কেমন সেইটা বইলা ফেলতেসি।
আসসেডিম্বরে দেখলেই চড়াৎ কইরা মেজাজ চইড়া যাইতেসে। কয়েকদিন সেইটা এক্সপ্রেসও করার চেষ্টা করসি চেহারা, এটিচ্যুড দিয়া। ইদানীং ছাড়ান দিয়া দিসি জিনিসটা। কি লাভ হুদাই মেজাজ খারাপ এক্সপ্রেস কইরা? এর থিকা অভিনয় মুড অন কইরা দিসি। দারুণ হাসতেসি, হাঁটতেসি, গানে গলা মিলাইতেসি, স্লোগানে চিৎকার করতেসি... এমনকি আসসেডিম্বের সাথে কথাও কইতেসি। নিজের অভিনয় প্রতিভায় মুগ্ধতা বাড়তেসে। কিন্তু ভিতরে ভিতরে মোরব্বা কাঁচান কাঁচায়ে যাইতেসে। বুঝতেসি না কি করি। আবার লজিকাল এন্ডিং জানি বইলা এরম মোরব্বা কাঁচান হইতেছি দেইখা নিজের উপরে মেজাজ আরো খারাপ হইতেছে।
আরেক ক্লায়েন্ট পাইসি সেদিন। আবারো ব্যর্থ হইসি নাকি সফল হইসি বুঝতেসি না। দেখা যাউক কি হয়।
সেইন্টমার্টিন যাওনের কথা আছিলো। বাল ছাল... সেইটাও হইলো না। এদ্দিনের অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও আশা করসিলাম ব্যাপক। কিন্তু অভিজ্ঞতার একটা দামতো আছেই। সো এইটাও বাতিল হইয়া গেলো। জামাত শিবিরের গুষ্টিতো ঠাপাইই, এইবার আরো ডাবল ঠাপ দিতে মন চাইতেছে।
মন খারাপের সময়গুলায় কেউরে পাশে পাই না শেয়ার করতে। এইজন্যেই মদ খাইতে মন চায় সারাক্ষণ। কিন্তু...
অস্থির... অস্থির... অস্থির... কবি বন্ধু আন্দালীব এর ভাষায় বলতে হয় "অস্থি'র ভেতর অস্থিরতা"
আসসেডিম্বরে দেখলেই চড়াৎ কইরা মেজাজ চইড়া যাইতেসে। কয়েকদিন সেইটা এক্সপ্রেসও করার চেষ্টা করসি চেহারা, এটিচ্যুড দিয়া। ইদানীং ছাড়ান দিয়া দিসি জিনিসটা। কি লাভ হুদাই মেজাজ খারাপ এক্সপ্রেস কইরা? এর থিকা অভিনয় মুড অন কইরা দিসি। দারুণ হাসতেসি, হাঁটতেসি, গানে গলা মিলাইতেসি, স্লোগানে চিৎকার করতেসি... এমনকি আসসেডিম্বের সাথে কথাও কইতেসি। নিজের অভিনয় প্রতিভায় মুগ্ধতা বাড়তেসে। কিন্তু ভিতরে ভিতরে মোরব্বা কাঁচান কাঁচায়ে যাইতেসে। বুঝতেসি না কি করি। আবার লজিকাল এন্ডিং জানি বইলা এরম মোরব্বা কাঁচান হইতেছি দেইখা নিজের উপরে মেজাজ আরো খারাপ হইতেছে।
আরেক ক্লায়েন্ট পাইসি সেদিন। আবারো ব্যর্থ হইসি নাকি সফল হইসি বুঝতেসি না। দেখা যাউক কি হয়।
সেইন্টমার্টিন যাওনের কথা আছিলো। বাল ছাল... সেইটাও হইলো না। এদ্দিনের অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও আশা করসিলাম ব্যাপক। কিন্তু অভিজ্ঞতার একটা দামতো আছেই। সো এইটাও বাতিল হইয়া গেলো। জামাত শিবিরের গুষ্টিতো ঠাপাইই, এইবার আরো ডাবল ঠাপ দিতে মন চাইতেছে।
মন খারাপের সময়গুলায় কেউরে পাশে পাই না শেয়ার করতে। এইজন্যেই মদ খাইতে মন চায় সারাক্ষণ। কিন্তু...
অস্থির... অস্থির... অস্থির... কবি বন্ধু আন্দালীব এর ভাষায় বলতে হয় "অস্থি'র ভেতর অস্থিরতা"
মঙ্গলবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
গিফট
অনেক দিন পর একটা গিফট এসেছে এই ঠিকানায়।
গোলাপী রঙের র্যাপিঙ পেপারে মোড়ানো একটা বাক্স।
র্যাপিঙ পেপারের উপরে ছোট ছোট লাল রঙের হৃদয়ের চিহ্ন
এক কোনে আবার বেশ আর্টিস্টিক ধরণের ডিজাইন করা।
প্রেরকের নাম লেখা ট্যাগটা কিছুটা ফুলের মত আকৃতির, সবুজ রঙের
প্রাপকের নাম লেখা আছে সাদা জমিনে, কালো কালিতে, আয়তাকার একটা কার্ডে।
চেনা নাম দেখে আগ্রহ বেড়ে ওঠে
বক্সটা খোলার উদগ্র একটা বাসনা জেঁকে ধরে।
ব্যাস্ত হাতে ছিঁড়ে ফেলি গোলাপী র্যাপিঙের আবরণ।
ভেতরে হলুদ কাগজের যে বাক্সটা
যেনো চারকোনা একটা হলুদ সূর্য,
অমোঘ আকর্ষণে ডাকছে কোনো গ্রহাণুকে।
আবার ক্ষীপ্র হাতে খুলে ফেলি হলুদ কাগজের বাক্স
উৎসুক দৃষ্টি ছুঁড়ে দেই ভিতরে।
দেখি ভাঙা কাঁচের টুকরো দিয়ে তৈরী বিছানায়
নিশ্চুপ শুয়ে আছে,
একটা হৃদয়।
কোনো এক সময় তোমাকে দেয়া আমার উপহার।
গোলাপী রঙের র্যাপিঙ পেপারে মোড়ানো একটা বাক্স।
র্যাপিঙ পেপারের উপরে ছোট ছোট লাল রঙের হৃদয়ের চিহ্ন
এক কোনে আবার বেশ আর্টিস্টিক ধরণের ডিজাইন করা।
প্রেরকের নাম লেখা ট্যাগটা কিছুটা ফুলের মত আকৃতির, সবুজ রঙের
প্রাপকের নাম লেখা আছে সাদা জমিনে, কালো কালিতে, আয়তাকার একটা কার্ডে।
চেনা নাম দেখে আগ্রহ বেড়ে ওঠে
বক্সটা খোলার উদগ্র একটা বাসনা জেঁকে ধরে।
ব্যাস্ত হাতে ছিঁড়ে ফেলি গোলাপী র্যাপিঙের আবরণ।
ভেতরে হলুদ কাগজের যে বাক্সটা
যেনো চারকোনা একটা হলুদ সূর্য,
অমোঘ আকর্ষণে ডাকছে কোনো গ্রহাণুকে।
আবার ক্ষীপ্র হাতে খুলে ফেলি হলুদ কাগজের বাক্স
উৎসুক দৃষ্টি ছুঁড়ে দেই ভিতরে।
দেখি ভাঙা কাঁচের টুকরো দিয়ে তৈরী বিছানায়
নিশ্চুপ শুয়ে আছে,
একটা হৃদয়।
কোনো এক সময় তোমাকে দেয়া আমার উপহার।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
