শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৪

শ্রীময়ী, তোমাকে... [২]

প্রিয় শ্রীময়ী,

আজ আকাশের চাঁদটাকে দেখেছো শ্রীময়ী? ভালোবাসার জোছনায় কেমন জড়িয়ে নিয়েছে বোকা পৃথিবীটাকে। পৃথিবীটাতো জানেই চাঁদের শরীর মন জুড়ে সূর্যের ভালোবাসা। তারপরেও কেন জানি সেদিকেই চেয়ে থাকে অনিমেষ...

এইযে দেখো শ্রীময়ী, বোকা পৃথিবীর একটা কঠিন শহরের সাথে সাথে তুমিও ঘুমিয়ে পড়েছ। ধীরেধীরে। শান্ত। তারপরেও আমি জেগে থেকে অনুভব করছি তোমার ঘুমন্ত নিঃশ্বাস, চোখ বুজে দেখছি তোমার মায়াময় মুখ...

তুমিতো জানোই শ্রীময়ী, সেইযে দুজন বৃষ্টিতে ভিজেছিলাম প্রথম দিন। একসাথে। পাশাপাশি। সেদিন থেকেই আমার নিয়তি বাঁধা হয়ে গেছে তোমার সাথে। অবশ্য বাস্তবতা ভিন্ন গল্প লিখেছে, তোমার মতো আমিও জানি সেটা। কিংবা আদৌ কোনো গল্প লিখেছে কিনা সেটা নিয়েও দু'জনেই দ্বিধা-দ্বন্দ্বে...

মনেপড়ে শ্রীময়ী। সেই দুপুরে। নৌকায় আমরা কতটা কাছাকাছি এসেছিলাম। যদিও খানিকটা জোর করেই দু'জনে কাছাকাছি হয়েও দূরত্ব রেখেছিলাম নিজেদের ভেতর। কে জানে, উপসংহার ওখানেই লেখা হয়েছিলো নাকি কোনো ভুমিকা...

জানিনা শ্রীময়ী, বোকা পৃথিবীটার ভালোবাসায় দূরের চাঁদটা নেমে আসবে কিনা আমরা বেঁচে থাকতে থাকতে। তবে আজকে, চাঁদের ভালোবাসাটাকে আমরা অস্বীকার করি কিভাবে???

ভালো থেকো শ্রীময়ী, নক্ষত্রময় মহাশূন্যে নাহয় নাগরিক জঙ্গলের কোনখানে...

ইতি,
তোমারই আমি
____________________

প্রথম...

রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

অসমাপ্ত শূন্যতা...

টুকরো কাগজে
লিখছো সহজে
ফেলে আসা প্রিয় ফুল
শুনতে চেয়েছি
দুঃখ নিয়েছি
কিছুই ছিলোনা ভুল

বোঝোনা আমাকে
এই পথ বাঁকে
ফুটেছে নতুন জারুল
রয়েছি তাকিয়ে
দু'চোখ শুকিয়ে
ছুঁতে চেয়ে ওই চুল

বিকেল ফুরায়
গোধুলি আকাশে
ব্যস্ত পাখির দল
ফিরে আসে ঘরে
রোদ ওম ছেড়ে
শেষ করে কোলাহল

মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

অসমাপ্ত...

স্টেশনে বসে থাকি অপেক্ষায়
রেলের উপর, কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ ডাকে সঙ্গী হতে
পথভুলে উড়ে আসা পাতাটাও বাড়িয়ে দেয় হাত
দোলাচলে দুলি, অশান্ত হাওয়ার ছোবলে কাশফুল যেমন...
___
তুমি শুয়ে থাকো,
চারদেয়াল ঘেরা নাগরিক বন্দীশালায়
কৃত্রিম চাঁদ দেয় সারাক্ষণ আলো
শুকনো পাতা দিয়ে সাজাও ল্যাম্পশেড
নিয়ন্ত্রিত বাতাস মৃদু দোলা দেয় তোমার চুলে...

শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

বিয়োগফল মূলত শূন্য...

বিয়োগ অংক কষার দিনগুলোতে
শহর জোছনা ভেজা নদী হয়

রাতজাগা পাখিদের দল
আইসিসের কাছে উড়ে যেতে চেয়ে রক্তাক্ত

অনিবার্য ভোর আসে অভিশাপ নিয়ে
চোখ আর মন জুড়ে দগদগে ক্ষত

এখানে যন্ত্রদানবের গর্জনে ঘোর ভাঙে
প্রায় স্থবির শরীরে ছোটে এড্রিনালিন সেনা
ডান বাম ডান
ডান বাম ডান

সময় সিড়িপথের শেষ ধাপে লেখা
বিয়োগফল মূলত শূন্য...

শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

একশ' আটষট্টি বিয়োগ আটচল্লিশ...

ধারালো স্কালপেল সম্মোহনী আকর্ষণে ডাকে...

"এসো,
ক'ফোঁটা রক্তের স্বাদ নিই
ঝলমলে ইস্পাত ঠোঁটে।"

ঘোরগ্রস্ত হাতে চলে নিষিদ্ধ ইস্পাত
রক্তের আঁশটে ঘ্রাণে মাতোয়ারা বাতাস
সময় জমাট বেঁধে আসে
ধূলিকণা আর আলোকরশ্মীও উৎসুক।

হঠাত!
নেমে আসে প্রতিজ্ঞার দেবদূতেরা
ভেঙে যায় ইস্পাত ঘোর...

বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

সাত বিয়োগ চল্লিশ...

শুন্যতা ভালোবাসো?
একাকীত্ব?
বসে থাকতে চাও, গহীন জঙ্গলের মাঝে?
সুর্যোদয়ের সময় সাগরতীরে?
নিঃশ্বাস ফেলতে চাও, সব ভুলে?
পাহাড়ী ঝরনায় স্নান?
দেখতে চাও  ধূধূ মাঠের হৃদয়, জোছনা ভরা মাঝরাতে?
মেঘেদের আনাগোনা নীল আকাশের বুকে?
একাকীত্ব আর শুন্যতা ছাড়া সব দেবো তোমায়
সব।
শুধু আইসিস হয়ে ওঠো আমার বিস্মৃত শহরে...

বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

ছাপ্পান্ন বিয়োগ চার...

জোছনা ধোয়া রাজপথগুলো
বিষণ্ণ হয়
পরিচিত কোনায় দাঁড়িয়ে
হয়তো কোনো আধো অন্ধকারে
সিঁড়ি বেয়ে চাঁদের নেমে আসা দেখবে বলে
প্রতীক্ষায় কেউ...